মাম্পস এর ঘরোয়া চিকিৎসা

মাম্পস এর ঘরোয়া চিকিৎসা। ইদানিং আমাদের দেশে মাম্পেসের প্রচুর রোগী দেখা যাচ্ছে। মুলত শিশু ও নারীরা এই রোগে বেশি আক্রান্ত হচ্ছে। আজকে আমরা জানবো যে মাম্পস হলে কিভাবে তার থেকে প্রতিরোধ করে বেচে আসবো।

মানবদেহের দুই কানের নিচে ও চোয়ালের পিছনে ২টি লালাগ্রন্তির নাম প্যারোটিড গ্রন্ত্রি থাকে । এই প্যারোটিড গ্রন্থির মাম্পস ভাইরাস আক্রান্তজনিত প্রদাহকে বলা হয় “মাম্পস”। হাছি-কাশির মাধ্যমে এই ভাইরাস সবচেয়ে বেশি ছড়ায়। এই ভাইরাসে আক্রান্ত হলে জ্বর, মাথা ব্যথ্য, প্রচুর গলা ব্যথা, খেতে গেলে বমি ব্যথা, ঢোক গিলে ব্যথা ইত্যাদি লক্ষন দেখা যায়। ডাক্তারের পরামর্শ না নিলে এই রোগ পরবর্তীতে জটিল রুপ ধারন করে বসে।

 

মাম্পসের উপসর্গ ও লক্ষণ
#প্রথমত জ্বর, মাথাব্যথা, গলাব্যথা এবং কানের নিচে ব্যথ্য শুরু হয়। পরে এক দিকের প্যরোটিভ গ্রন্টি ব্যথা হয় ও ফুলে যাই। গ্রন্থির নিঃসরন যেখান হয় সেখানে লাল হয়ে যাই ও ফুলে যাই।

#১০২-১০৩ ডিগ্রি জ্বর হতে পারে ও তা কিছু দিন থাকতে পারে।

#এ সময় রোগি অনেক দুর্বল হয়ে পড়ে ও অস্বস্তি অনুভব করে, বড়া হা করে মুখ খুলে কোন কিছু খেতে পারে নাহ। মুখের চোয়াল শক্ত হয়ে যাই মুখ হা করতে কষ্ট হয় এবং মুখে দুগন্ধ হয় প্রচুর।  এই সকল সমস্য সারতে ৭-১৪ দিন লেগে যেতে পারে।

 

মাম্পসের জটিলতা

  • # মাথা ব্যথার এক অন্যতম কারণ হলো মাম্পম। এই রোগ হলে মাথা ব্যথা, জ্বর, ঘাড়ব্যথা ও বমি উপসর্গ হয়ে থাকে।
  • # বড় শিশু ও তরুনকের গোপল জাইগায় বলে ব্যথা হয় ও একটি বল ফুলে যাই এবং লাল হয়ে যাই।
  • # মেয়েদের ক্ষেত্রে বুকে ব্যথা হয় ও লাল হয়ে যেতে পারে বুক।
  • # গর্ভবতী নারির মাম্পস হলে গর্ভাপাত হয়ে যাওয়ার আশক্ষা থাকতে পারে।
  • # মাম্পস হলে শ্রবন শক্তিতে সমস্যা হতে পারে।

 

মাম্পসের প্রতিরোধ

সকল শিশুকে ১১-১৫ মাসের ভিতরে মাম্পসের টিকা দেওয়া উচিত। তাহলে চিরকালের জন্য এই রোগ থেকে প্রতিরোধ পাওয়া সম্ভব। মাস্পসের টিকা দিলে হাম ও রুবেল থেকেও মুক্তি থাকবে শিশু।

 

মাম্পস হলে করণীয়

  • # লিকুইড খাবার গ্রহন করতে হবে। হালকা গরম পানি দিয়ে গড়গড়া করলে সাময়িক আরাম পাবে। পানি অবশ্যই কিছুটা লবন মিশ্রন করে নিতে হবে।
  • # এই রোগ হলে প্রচুর পানি পান করতে হবে।
  • # সফট ড্রিংকস ও মিষ্টি জুস খাওয়া বন্ধ রাখতে হবে।
  • # জ্বরের জন্য হালকা গরম পানি দিয়ে শরীর স্পঞ্জ করতে হবে এবং মাথায় পানি দিতে হবে।
  • # রোগীকে আলাদা ঘরে রাখার ব্যবস্থা করতে হবে ও রোগীর দেখা শোনা করতে হবে।
  • # রোগীর ব্যবহার করা চামচ, পেয়ালা, গ্লাস, প্লেট অন্য কেও ব্যবহার করতে পারবে নাহ।
  • # এই রোগ হলে শিশুকে চুম্বন করা যাবে নাহ।
  • # রোগীকে পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন রাখতে হবে।
  • # কোনরকম কবি রাজি ওষুধ খাওয়ার দরকার পড়বে না এই রোগ হল।

 

শরির খুব বেশি খারাপ হলে অবশ্যই ডাক্তের পরামর্শ নিতে হবে ও হাসপাতালে ভর্ত হতে হবে প্রয়োজনে।

Leave a Comment